এবার এস কে সিনহা কে নিয়ে দেয়া, শিবির সভাপতির স্ট্যাটাসটি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বই প্রকাশের মাধ্যমে এবং বিবিসি, টাইম টেলিভিশনসহ বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে আইন আদালতের উপর অবৈধ আওয়ামী সরকারের খবরদারির তথ্য স্বেচ্ছায় প্রকাশ করেছেন!

“কার কি রায় হবে, কাকে রিমান্ড দিতে হবে” এসব নির্দেশনা দিয়ে তাকে এবং “আদালতকে পুতুল বানিয়ে” সরকার অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করে নিয়েছে বলে তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন।

এ উদ্দেশ্য হাসিলে মুল নির্দেশনা সরকার প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনার কাছ থেকেই এসেছে বলে সিনহা আকারে ইংগিতে কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে নাম ধরে বলেছেন।কার কি রায় হবে, কাকে রিমান্ড দিতে হবে কিংবা কাকে ফাঁসি দিতেই হবে,

এমন নির্দেশনা যে আদালত বাস্তবায়ন করে সে আদালতের মাধ্যমে যাদের মিথ্যা ট্রায়াল করে ফাঁসি দেয়া হয়েছে তারা যে শতভাগ নির্দোষ তাতে জনগনের বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।

সত্য কখনো চাপা থাকেনা তা দিবালোকের ন্যায় একদিন না একদিন স্পষ্ট হয় সেটি আবারো প্রমানিত হল। যদিও স্কাইপি কেলেঙ্কারি, আদালত চত্বর থেকে স্বাক্ষীকে কিডন্যাপ, সেফহোমের ডাইরী প্রকাশের মাধ্যমে আগেই তথাকথিত ট্রাইবুনালের বিচার জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ এক প্রহসনের বিচারে পরিনত হয়েছিল।

এর পরও যারা জামায়াত কিংবা জামায়াত নেতৃবৃন্দের নামে ব্লেম দেয়ার চেষ্টা করেন, মিথ্যা প্রপাগান্ডা চালান নিশ্চয়ই তারা ইসলাম বিদ্বেষী, জ্ঞানপাপী,

মতলববাজ বলে বিবেচিত হবেন।যারা নিষ্পাপ নেতৃবৃন্দকে নিষ্ঠুরভাবে ফাঁসির কাঠগড়ায় পাঠিয়েছেন কিংবা কারাগারে রেখেই তিলে তিলে হত্যা করেছেন তাদের বিচারতো আমরা মহান রাজাধিরাজ বিচার দিবসের একমাত্র মালিকের কাছেই সোপর্দ করেছি।

তাদের লাঞ্চনা, শাস্তি কিঞ্চিৎ হলেও জাতী দেখছে কাল কিয়ামতের ময়দানে চুড়ান্ত ফায়সালার অপেক্ষায় রইলাম।খুব সাহস করে, মাথা উঁচু করে, গর্ব করে বলতে পারি আমাদের নেতৃবৃন্দ নিষ্কলুষ ছিলেন, নিরাপরাধ ছিলেন। আল্লাহ তাঁদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন, জান্নাতের সর্ব্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন, আমীন।-মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত

Facebook Comments