জামায়াত দুনিয়ার কোন শক্তিকে ভয় করে না একমাত্র ভয় ও নির্ভর করে আল্লাহর উপর:মাওঃ মাসউদুর রহমান

(ইতিহাস কথা বলে)
বন্ধুরা, যেহেতু প্রত‍্যেকটি মানুষের উপর ঈমান আমল,দ্বীনিয়াতের চর্চা ও দ্বীন বিজয়ের উদ্দেশ্যে ইসলামী আন্দোলন করা ফরজ, সেহেতু জামায়াত দলগত ভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা বিশ্বাসের অনুসরণে ইক্বামতে দ্বীনের দ্বায়িত পালন করে যাচ্ছেন।

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য যেহেতু আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখেরাতের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া, সেহেতু দলটি দুনিয়ার কোন শক্তিকে পরওয়া করে না। আমি যতটুকু জানি যারা জামায়াতে ইসলামী খাঁটি ভাবে করছেন, তারা সব সময়ই রুমটাকে হাতে নিয়েই ইক্বামতে দ্বীনের দ্বায়িত পালন করে যাচ্ছেন।

সুতরাং দুনিয়ার কোন শক্তিকে ভয় করার প্রশ্নই আসে না।

বন্ধুরা,এ উপমহাদেশ প্রায় দুশো বছর যাবৎ ব্রিটিশ বেনিয়াদের হাতে পরাধীন ছিল। বহু আন্দোলন সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ীর পর উপমহাদেশ স্বাধীন হলো।

ব্রিটিশ খেদানোর পর মুসলিম নেতৃবৃন্দরা চিন্তা করে দেখলেন যে, জাতীয় ভিত্তিতে যদি আমরা আলাদা রাষ্ট্র গঠন না করি, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে আমরা হিন্দুদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বো।এ উপমহাদেশ স্বাধীন হলেও মূলতঃ মুসলমানদের স্বাধীনতা সহজে হচ্ছে না।

এ উপমহাদেশের মুসলমানরা ভবিষ্যত চিন্তা করে পাকিস্তান ক্বায়েমের সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু করে দিলেন যে তৎকালীন স্বাধীনতার ডায়লগ ছিল: লড়কে লেংগে পাকিস্তান, জোরশে লেংগে পাকিস্তান।

পাকিস্তান ক্বায়েমের লক্ষ্যে যার লেখা সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে ছিল এবং স্বাধীনতার আন্দোলনকে তরান্বিত করে ছিল, তিনি হলেন আওলাদে রাসুল আল উস্তাদ আশ-শাইখ আল্লামা মওদুদী রহঃ।

পাকিস্তান ক্বায়েমের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল কোরআনের শাসনতন্ত্রের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করা।পরে যারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন,সে নালায়েকরা বেমালুম কোরআনের শাসনতন্ত্রের কথা ভূলে গেলেন।

বন্ধুরা, বহু আন্দোলন সংগ্রামের পর মুসলমানদের জন্য আলাদা ভুমি পাকিস্তান ক্বায়েম হলো।
বাংলাদেশকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান আর পশ্চিম অংশকে বলা হতো পশ্চিম পাকিস্তান।

পরের ইতিহাস সকলেরই মোটামুটি জানা। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ চেয়ে ছিলেন, পাকিস্তানে যে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে, সেটি রাজনৈতিক ভাবে সমাধান হোক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাইছিলনা পাকিস্তানের সংহতি ভেঙে পড়ুক।

তারা চিন্তা করে দেখলেন যে,
দেশটা যদি ভারতের অধীনে স্বাধীন হয়, তাহলে বাংলাদেশের মুসলমান আজীবন বুদ্ধিবৃত্তিক ও পররাষ্ট্র নীতির দিক থেকে দিল্লির গোলাম হয়ে থাকতে হবে।

আজকের এই বাংলাদেশের পরিস্থিতি জামায়াত নেতৃবৃন্দের ধারণা সত‍্যে পরিণত হতে যাচ্ছে কি না যথেষ্ট গবেষণার দাবি রাখে। আমি যতদূর জানি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব ও চাইছিলেন না পাকিস্তান দু টুকরো হোক বরং তিনি চেয়ে ছিলেন হোল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে।

পাকিস্তানের নেতৃবৃন্দ যদি অন‍্যায় একগুঁয়েমি না করে, যেহেতু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাদের উচিত ছিল তার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
তা যদি তৎকালীন সময়ে তারা করতো, তাহলে বোধহয় বাংলাদেশের ইতিহাস ভিন্ন ভাবে লেখা হতো।

পরের ইতিহাস সকলেই জানেন। জামায়াতকে বেন্ড বা নিষিদ্ধ করা হলো। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপর কি পরিমান যে মছিবত আপতিত হলো আল্লাহ মালুম!

এতো দূর্নাম, এতো মছিবত, এতো নির্যাতন আপতিত হওয়ার পর ও জামায়াত ভেঙে পড়েননি মুচড়ে যাননি বরং সাহসীকতার সাথে আন্ডার গ্রাউন্ডে কাজ শুরু করে দিলেন। আলহামদুলিল্লাহ এ ক্ষেত্রে জামায়াত যথেষ্ট সাক্সেসফুল ও হয়েছেন।

জামায়াত আগেই আঁচ করতে পেরে ছিলেন যে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে, জামায়াত ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দের কি কি সমূহ ক্ষতি হতে পারে।সে সম্ভাব্য ক্ষতিকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে পাঁচ সাত জনের মতো নায়েবে আমির ঠিক করে রেখে ছিলেন। একজনের শাহাদাতের পর আরেক জন যেন দ্বায়িত্ব পালন করতে পারেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ ইচ্ছে করলে অন‍্য দেশে নিজেদের সেফ করতে পারতেন, কিন্তু তারা কাপুরুষের পরিচয় দিয়ে অন্য দেশে পালিয়ে যাননি বরং তারা বলেছেন এ দেশে আমাদের জন্ম, মরলে এ দেশেই মরবো।

বন্ধুরা, সেই পাকিস্তান আমল থেকে নিয়ে বাংলা আমল পর্যন্ত দেশে ও জাতীয় স্বার্থে জামায়াত জোটবদ্ধ রাজনীতি করে আসছেন।

তার মানে এই নয় যে জামায়াত জোটবদ্ধ রাজনীতি থেকে বস্তুগত তথা কেবল দুনিয়াবি ফায়দা হাসিল করতে চান, বরং দেশ ও জাতীয় স্বার্থে এবং কৌশলগত কারণে জামায়াত সময়ে সময়ে জোটবদ্ধ রাজনীতি করে আসছেন।

জোটে থাকলেও জামায়াত ইক্বামতে দ্বীনের কাজ করে যাবেন না থাকলে ও কাজ করে যাবেন। কারো রক্তচক্ষুকে অন্ততঃ জামায়াত ভয় করার পাত্র নহেন। জামায়াত বিশ্বাস করে ভালো মন্দ সব আল্লাহর তরফ থেকে হয়, আল্লাহর ফায়সালার উপর জামায়াত সব সময়ই সন্তুষ্টি প্রকাশ করে থাকেন।

সুতরাং জামায়াতকে জোট থেকে বের করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, বাংলাদেশে জামায়াতের একটি খাঁটি কর্মী ও যদি থাকে, তাহলে সে একাই ইক্বামতে দ্বীনের দ্বায়িত পালন করে যাবে ইনশাল্লাহ। আল্লাহ তোমার কুদরতি চাদর দিয়ে জামায়াতকে ঢেকে দাও আমীন।
(মাওলানা মাসউদুর রহমান)

সিনহারর সঙ্গে জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার রাজ্জাকের বৈঠকের মিথ্যা সংবাদ প্রচাররের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবি ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাককে নিয়ে আমাদের সময় ডট কম-এ ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘এসকে সিনহা বৈঠক করবেন জামায়াত নেতা রাজ্জাকের সঙ্গে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

বৃহ্স্পতিবার ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাক সংবাদপত্রে পাঠানো প্রতিবাদে বলেছেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সঙ্গে বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা তার নেই। উক্ত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি বিচারপতি এসকে সিনহার সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন’ যা সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন।

শিবিরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইনসহ নেতৃবৃন্দের নামে মিথ্যা মামলা এবং ঢাকা, সিলেট, সুনামগঞ্জসহ সারাদেশে শিবির নেতাকর্মীদেরকে গণগ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও অবিচারের বিরুদ্ধে জেগে উঠা মুক্তিকামী জনতাকে

দমন করতে সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে সারাদেশে গণগ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলার ফ্যাসিবাদী পথ বেছে নিয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়ন করতে অবৈধ সরকার চূড়ান্ত অগণতান্ত্রিক আচরণ করছে। যা গত কয়েক দিন যাবত চলছে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় শফিউল আলম তার ছোট ভাই ও ছোট ভাইয়ের বন্ধুকে নিয়ে হজ্জ ফেরত মা ও বড় ভাইকে রিসিভ করতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যান।

মা ও বড় ভাইকে নিয়ে বাসার উদ্দেশে গাড়িতে উঠলে সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা মায়ের ভাইয়ের সামনে থেকেই শাফিউল আলমকে তার ছোট ভাই ও ছোট ভাইয়ের বন্ধু সহ গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

পরে যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার বাসা থেকে মো. শফিউল্লাহ ও মো. মাআজ নামে আরো দুই শিবির কর্মীকে প্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে হাজির না করে গুম করে রাখে। মামলায় পুলিশ উল্লেখ করেছে ৫ জনকে গতকাল গ্রেফতার করা হয়েছে।

অথচ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরো ১৬ দিন আগেই। এ বিষয়ে পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। প্রায় সব গণমাধ্যমে গ্রেফতারের পর গুমের বিষয়টি ফলাও করে প্রচার হয়েছে।

আজ ১৬ দিন পর তাদের নামে মিথ্যা বিষ্ফোরক মামলা দিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

একই সাথে পুলিশ এই বানোয়াট মামলার সাথে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেলসহ নেতৃবৃন্দকে জড়িয়েছে। যা পুলিশের দায়িত্বহীনতার আরেকটি ঘৃন্য নজির।

এমনিতেই গ্রেপ্তারের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে আদালতে হাজির না করে ১৬দিন গুম রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনার চরম লঙ্ঘন। তারওপর সরকারের নির্দেশে কেন্দ্রীয় সভাপতি, সেক্রেটারি জেনারেল,

কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও ঢাকা মহানগরীর নেতৃবৃন্দের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ যে কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ও প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে উঠেছে তার প্রমাণ দিয়েছে। মূলত ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পাকাপোক্ত করতেই শিবির নেতাকর্মীদের বেআইনি ভাবে ১৬ দিন গুম করে রেখেছে পুলিশ। এর আগেও পুলিশ বহুবার এমন জঘন্য নাটক সাজিয়েছে।

প্রতিবার গণধিক্কার পেলেও পুলিশ এই অপকর্ম অব্যাহত রেখেছে। জনগণ পুলিশের এমন দায়িত্বহীন ও সেবাদাস চরিত্রের সাথে আগে থেকেই পরিচিত। আইনের রক্ষকের পোষাক পড়ে ভক্ষকের ভূমিকা পালন করায় পুলিশের প্রতি জনগণের নূন্যতম শ্রদ্ধা,

আস্থা ও বিশ্বাসটুকুও উঠে গেছে। যা দেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে দিবে। আমরা পুলিশের এই নিচু মানসিকতা, দায়িত্বহীনতা ও আইনের পোষাকে বেআইনি অপকর্মের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অন্যদিকে সারাদেশে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের উপর নির্বিচারে গণগ্রেফতার চালাচ্ছে পুলিশ।

আজও কোন কারণ ছাড়াই ছাত্রশিবির সিলেট মহানগরী সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবসহ প্রায় ১৭ জন নেতাকর্মীকে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৫ জন নেতাকর্মীকে। এভাবে প্রতিদিনই অন্যায় ভাবে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। পরিকল্পিত ভাবে সারাদেশে জামায়াত-শিবির ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উপর ধরপাকড় চালাচ্ছে সরকার।

নির্বিচার গ্রেফতারের মাধ্যমে ছাত্রদের শিক্ষা জীবন নষ্ট করে দিচ্ছে। বেআইনি ও অমানবিক গ্রেফতার নির্যাতন চালিয়ে অবৈধ সরকার নিজেদের দেওলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার নামে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। গ্রেপ্তারের পরপরই আইনের তোয়াক্কা না করে নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন নিপীড়ণ চালাচ্ছে।

জাতীয় সংকটকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ আওয়ামীলীগ যে আজ কতটা দেউলিয়া হয়ে গেছে তা তাদের কর্মকান্ডেই পরিস্কার হয়ে গেছে। কিন্তু গ্রেপ্তার নির্যাতন আর মিথ্যা মামলা দিয়ে অবৈধ সরকারের শেষ রক্ষা হবে না।

অবিলম্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল নেতাকর্মীর নামে দেয়া সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। নির্বিচার গণগ্রেপ্তার বন্ধ ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় ফ্যাসিবাদী সরকারের এই স্বৈরাচারি আচরণ দেশে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। আর সব কিছুর জন্য সরকার ও প্রশাসনকেই দায়ী থাকতে হবে।

নেতৃবৃন্দ গণগ্রেফতার ও গণহয়রানি বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Facebook Comments