আ’লীগের ভরাডুবি আসন্ন – আসিফ নজরুল!

আসিফ নজরুল।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কলামিস্ট, নব্বই দশকের ঔপন্যাসিক এবং সুপরিচিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। তিনি একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবেও পরিচিত মুখ।

বর্ণাঢ্যময় কর্মজীবন এবং গৌরবময় নানা অর্জনের সাথে তিনি আন্তর্জাতিক নদী আইনে পিএইচডি অর্জন করেন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটের বিরোধিতা করেন তিনি।

ইভিএমে কেন আপত্তি, কেমন নির্বাচন হলে তাকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ,গ্রহণযোগ্য নির্বাচন মনে হবে ইত্যাদি প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত জানান আসিফ নজরুল পরিবর্তন ডটকমের সাক্ষাৎকারে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেমন হলে তা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে বিবেচিত হবে?

গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সারা পৃথিবীতে একটা সংজ্ঞাই আছে, সেটা হচ্ছে মানুষ যেনো নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, নির্বিঘ্নে ভোট চাইতে পারে। মানুষ যে ভোটটা দেবে সেটা যেন কাউন্টেড হয়, মানুষের পছন্দ যাকে প্রকৃত অর্থে সেই ব্যক্তি যেন ইলেক্টেড হয়, জনগণ যাকে চাচ্ছে সে-ই যেন তাদের প্রতিনিধি হয়।

এটাই সত্যিকারের বিষয় এবং সারা পৃথিবীতে একই ডেফিনেশন।তবে এসবের জন্য কতগুলো প্রি-কন্ডিশন আছে – প্রথমতঃ প্রার্থীদেরকে এবং তাদের কর্মীবাহিনীদের নির্বিঘ্নে প্রচারণা করতে দিতে হবে। এবং তাদেরকে সমান পরিমাণ সুযোগ দিতে হবে পাবলিক স্পেসে।

সেটা গণমাধ্যম হতে পারে, জনসভা হতে পারে, রাস্তার মিছিল হতে পারে। সমান সুযোগ দিতে হবে।

দ্বিতীয়তঃ ভোটাররা যেন নিবিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে, তাদের ভোট যেন কাউন্টেড হয়, এর মধ্যে যেন কোনো প্রকার কারচুপি না হয়, কোনো রকম অসৎ প্রক্রিয়া অবলম্বন করা না হয়, ওটা যেন কাউন্টেড হয় এবং ওটার ভিত্তিতে যেন রেজাল্ট হয়। একটা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়েই তা সম্ভব।

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কী করে সম্ভব?

সারা পৃথিবীতেই গ্রহণযোগ্য যে মডেলগুলো আছে …ইনফ্যাক্ট পৃথিবীতে ডেমোক্র্যাসি এমন একটা ষ্টেজে চলে গেছে, সেটা ইউরোপিয়ান কান্ট্রি বলেন আর আমেরিকান কান্ট্রি বলেন, সেখানে একটা রোলিং গভর্নমেন্ট ইলেকশনে কারচুপি করবে এটা চিন্তাই করা যায় না। এটা অসম্ভব ব্যাপার আর কি!

যেহেতু এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমাদের এখানে গড়ে উঠে নাই, সেজন্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত মিলে বাংলাদেশে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছিলো। বিএনপি সে আন্দোলন মেনে নিয়ে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলো।

এটাই মোটামুটি গ্রহণযোগ্য মডেল ছিল যে, ইলেকশনটা যেই সরকার পরিচালনা করবে তার যেন ঐ ইলেকশনে কোনো স্টেক না থাকে। সে নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছে না এবং এরপর কে সরকার হবে এটা নিয়ে তার কোনোরকম মাথা ব্যাথা নাই বা লাভ ক্ষতির ব্যাপার নাই। এটাই ছিল গ্রহণযোগ্য মডেল। আনফরচুনেটলি অত্যন্ত বিতর্কিতভাবে এটাকে বাতিল করা হয়।

বাতিল করার পর এখন যে সিচুয়্যাশন দাঁড়িয়েছে, এখন যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হয় তাহলে বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে … প্রত্যেকটা জিনিসের একটা লোকাল পরিপ্রেক্ষিত থাকে, একটা লোকাল বাস্তবতা থাকে। সেই বাস্তবতা এবং প্র্যাকটিস অনুযায়ী বাংলাদেশে এখনো সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব, এমনকি শেখ হাসিনার আন্ডারে কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট থাকার পরও।

কীভাবে সম্ভব? নাম্বার ওয়ান কন্ডিশন হচ্ছে ইলেকশন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কঠিনভাবে প্রয়োগ করতে হবে। এ বিষয়ে ইলেকশন কমিশনের সেই নিয়ত থাকতে হবে, সেই ব্যক্তিত্ব থাকতে হবে।

এখন বর্তমানে যারা ইলেকশন কমিশনে আছেন তাদের সেই ব্যক্তিত্ব বা নিয়ত আছে কি না তা নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনে এখন রিকনস্টিটিউট করাও খুব টাফ ব্যাপার। করতে পারলে ভালো, সবচেয়ে ভালো কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট করতে পারলে। আমি মনে করি বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে এর চেয়ে শ্রেয়তর কোনো বিকল্প নাই।

তবে এখনকার বাস্তবতায় যেহেতু নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করার সময়, সুযোগ নাই তাহলে কী করা যায়? যেটা করা যায় ওটা হচ্ছে যে, নির্বাচনকালীন যে সরকার থাকবে সে সরকারে বাংলাদেশের সংবিধানে রয়েছে, তারা মন্ত্রিসভা থেকে ওয়ান টেনথ বাইরে থেকে লোক নিতে পারেন। সরকার পক্ষ যে বলে, সংসদ নির্বাচনে যারা আসে নাই তাদেরকে নির্বাচনকালীন সরকারে রাখা যাবে না, এটা একটা অবাস্তব কথা।

সরকার যদি ২০ সদস্য বিশিষ্ট একটা সরকার হয় সেখানে দুইজনকে বাইরে থেকে নেয়া যেতে পারে। যেমন স্বরাষ্ট্র আর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই দুইটা যদি বিএনপি থেকে না দিতে চান তাও উপায় আছে।

লাস্ট কেয়ারটেকারে যারা ইলেকশন করেছে, যাদের অধীনে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তেমনি হোসেন জিল্লুর এর মতো দুটো লোক রাখতে পারেন এটা হচ্ছে এক নাম্বার। নাম্বার টু হচ্ছে ইলেকশন কমিশনকে সরকারের পক্ষ থেকে কনফিডেন্স দিতে হবে এই বলে যে, তুমি যদি সেনাবাহিনী নিয়োগ করতে চাও এটা সম্পূর্ণ তোমার ব্যাপার।

আমি মনে করি নির্বাচন কমিশনের তখন উচিত অবশ্যই নির্বাচন চলাকালীন সময়ে অন্তত সাত দিন আগে থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। এই সরকারের আমলে দশ বছরে প্রচুর সেনাবাহিনী নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি হয়েছে, সব সরকারের আমলেই হয়েছে, কাজেই সেনাবাহিনী মোতায়েন হলে সরকারের মাথা ব্যাথার কোনো কারণ নাই। এবং সেনাবাহিনীকে দিয়ে সরকার কত কাজ করায়!

সেনাবাহিনীকে দিয়ে ব্যাংক, বীমার কাজে এমনকি ইনস্যুরেন্স কোম্পানির ব্যবসাও পর্যন্ত করায়। বিদেশে সেনাবাহিনী এত বড় বড় সুষ্ঠু নির্বাচন রক্ষার কাজ করে, আমাদের নির্বাচনে সেনাবাহিনী রাখতে প্রবলেমটা কি!

কাজেই আমি মনে করি, সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম প্রি-কন্ডিশন হচ্ছে অবশ্যই ভোটের আগে থেকে রেজাল্ট ঘোষণা পর্যন্ত সেনাবাহিনী থাকতে হবে।

তৃতীয়তঃ পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। পোলিং এজেন্টদের মামলা দেখিয়ে গ্রেফতার করতে পারবেন না। যেকোনো লোককে মামলা দিয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি বলে জেলে ঢুকানোর যে প্রক্রিয়া চালু হয়েছে সেটা যেন না হয়। এমন হলে পোলিং এজেন্টরা ঠিকমতো কাজ করতে পারবে না। তাদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

এরপর বিদেশি পর্যবেক্ষকদের অবাধে এখানে আসতে দিতে হবে।

কোনোরকম ইভিএম-টিভিএম চালাকি-টালাকি করলে চলবে না।

নির্বাচন চলাকালীন সময়ে প্রচার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শ্লটের সময় সবাইকে সমান ভাগ করে দিতে হবে। আওয়ামী লীগ যদি তিন ঘণ্টা সময় পায়, বিএনপিকেও তিন ঘণ্টা সময় দিতে হবে।

বিএনপির নেতা কর্মীদের মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। যদি সত্যিই অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চান তাহলে এখনকার পরিপ্রেক্ষিতে তাহলে অবশ্যই বেগম জিয়াকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দিতে হবে।

জাতীয় ঐক্য আমাদের রাজনীতিতে কতটুকু প্রভাব ফেলবে মনে করেন?

দুইটা জিনিস হতে পারে। একটা হচ্ছে ইলেকশন অ্যালায়েন্স যেমন- ড. কামাল হোসেন, বি চৌধুরী, আ স ম আব্দুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না এদের সাথে বিএনপির যদি ঐক্য হয় সেটা একটা ইলেকশন অ্যালায়েন্স হিসেবে কাজ করবে।

একটা ইমিডিয়েট ইমপ্যাক্ট হচ্ছে আমি মনে করি, ক্ষমতাসীনদের বাংলাদেশের লোকজন পুনরায় নির্বাচিত করে না। এরা হলো দুইবার ইলেক্টেড। তাও একটা ইলেকশন নিয়া জনগণের মনে প্রচণ্ড ক্ষোভ রয়েছে। প্লাস সরকার যেভাবে তরুণ সমাজকে বিক্ষুব্ধ করেছে, কোটা সংস্কার এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময়, আমি মনে করি আওয়ামী লীগ হারবে তো হারবে এমনকি তাদের ভরাডুবিও হতে পারে।

ফলে এই অবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন সম্ভব করা। তা সম্ভব করার ক্ষেত্রে ড. কামাল হোসেন, বি চৌধুরী, আ স ম আব্দুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্নাদের সাথে বিএনপির ঐক্য হলে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় মহলে অনেকগুণ বৃদ্ধি পাবে।

ইভিএম পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন কেন ?

কারণ ইভিএম পদ্ধতিতে কোনো জবাদিহিতা নাই, কোনো স্বচ্ছতা নাই। জার্মানির সাংবিধানিক আদালত ইভিএম বাতিল করে দিয়েছে এবং বলেছে এটায় কোনো স্বচ্ছতা নাই। কেউ যদি কারচুপি করে, মেশিনের আড়ালের মানুষগুলো যদি শয়তান এবং দুষ্টু প্রকৃতির হয়, তারা এটা দিয়ে দিনকে রাত করে দিতে পারবে। আর ইভিএমের মেশিনের অন্তরালের মানুষগুলো যদি সৎ হয়, নিরপেক্ষ হয় তাহলে ইভিএম ভাল।

বাংলাদেশে যারা নির্বাচন পরিচালনা করে আর সরকারে যারা থাকে তারা এতো বেশি কারচুপি, অনিয়ম করে! এমনিই কারচুপি করে আর ইভিএম পেলে করবে না কেন! বাংলাদেশে যারা ইভিএমের পক্ষে কথা বলে, আমি মনে করি তারা অত্যন্ত বড় ধরণের নির্বোধ।

তারা বাংলাদেশের বাস্তবতা বোঝে না, বাংলাদেশকে চেনে না । তারা হয় নির্বোধ অথবা তাদের কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে।

ইভিএমের মেশিন কেনার যে বিষয়টা, এটা শুধু ইভিএমে ভোট দেয়ার চেষ্টা তা আমি মনে করি না। আমি মনে করি এখানে বড় ধরণের একটা দুর্নীতিও হয়েছে। ইভিএম মেশিন কেনা-টেনার পেছনে কোনো একটা দুর্নীতির চিন্তা বা চেষ্টা ছিল, অথবা দুর্নীতি অলরেডি হয়েছে।

বিএনপি যে নিরপেক্ষ সরকার চায়। সরকার বলছে সম্ভব না, সংবিধানে নেই। এই সঙ্কট উত্তরণে আইন/সংবিধানে এর সমাধান কী মনে করছেন ?

আইনে সম্ভব না, এরকম জিনিস তো আওয়ামী লীগ বহুবার চেয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কি আইনি ছিল? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগ আন্দোলন করে নাই?

মূল কথা হচ্ছে জনকল্যাণ কোনটা। যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন আওয়ামী লীগ চায় তাহলে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াও সম্ভব। ওইযে বলছিলাম, যদি ২০/২২ সদস্য বিশিষ্ট একটা সরকার হয় সেখানে দুইজনকে বিএনপি থেকে স্বরাষ্ট্র আর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেয়া যেতে পারে অথবা লাস্ট কেয়ারটেকারে যারা ছিলেন যেমন- হোসেন জিল্লুর এর মতো দুটো লোক নিতে পারেন। তাহলে মানুষের একটু হলেও কনফিডেন্স তৈরি হবে। পরিপূর্ণ কনফিডেন্স আসবে।

পরিপূর্ণ কনফিডেন্সের জন্য মানুষ এমন কোন পরিবর্তন চাচ্ছে বলে মনে করেন?

আপনি যদি এই মুহূর্তে বাংলাদেশে গণভোট করেন যে কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট চান কিনা- আমি বিশ্বাস করি আশি ভাগ লোক ভোট দেবে যে, হ্যাঁ কেয়ারটেকার সরকার চাই। আরও বেশিও হতে পারে।

ভবিষ্যতে কোনো দলের হয়ে আপনার নির্বাচন করার ইচ্ছে আছে কি?

প্রশ্নই আসে না। ভবিষ্যতে কোনদিনও কোনো দলের হয়ে কখনো আমার এরকম ইচ্ছে নাই। আমি আন্তর্জাতিক নদী আইনে পিএইচডি করেছি। কোনো গভর্নমেন্ট যদি আমাকে একটি টাকা না দিয়েও সহায়তা চায়, পরামর্শ চায় যেকোনো গভর্নমেন্ট, তা দিতে আমি তৈরি আছি। কোনো গভর্নমেন্ট আমাকে জয়েন্ট রিভার কমিশন বা অন্য কোথাও রাখে নাই। বিএনপি না, কেয়ারটেকার না, আওয়ামী লীগও না।

বর্তমানে কোনো চাপের মুখে আছেন কি না?

(হাসি)

আপনাকে টকশোগুলোতে আগের মতো দেখা যায়না কেন?

আগের মতো দেখা যায়না এর এক নম্বার কারণ হচ্ছে আমাকে আগের মতো ডাকা হয় না।

দুই নাম্বার হচ্ছে, যখন ডাকাও হয় আমার যেতে ইচ্ছে করে না। কারণ যাওয়ার পর দেখি যে অনুষ্ঠানে হোস্ট যিনি আছেন বা যারা সহ-আলোচক আছেন মানে পরিবেশটা এমন, আমাকে যেনো একটা ম্যাসেজ দেয়া হয় যে আমি যেন একটু বুঝে কথা বলি। ওই ফ্রিডমটা নাই।

কোনো কোনো চ্যানেল তো একেবারে রিকোয়েস্টই করে যে একটু বুঝে শুনে যেন বলি। এমনকি যেটা লাইভ না, সেখান থেকে অনেক কিছু বাদও দিয়ে দিয়েছে।

তৃতীয় কারণ হচ্ছে, একধরণের একটা অরুচি চলে আসছে। যেমন- আমরা যখন প্রথম টকশো করি, তখন যারা আলোচনা করতো তারা অনেকটা যুক্তি দিয়ে কথা বলতো।

এখন টকশোতে নতুন যারা আসছে তাদের একটা বড় অংশ তারা পার্টিজান! এত নোংরাভাবে অন্যদলকে আক্রমণ করে নিজের দলের কথা বলে! তবে সবাই না, একটা বড় অংশ। আগের আলোচকদের একটা অন্যরকম কোয়ালিটি ছিল। তখন র‍্যাশনাল আলোচনা হতো।

উৎসঃ poriborton

Facebook Comments