যে কারণে চট্টগ্রাম – ১০ থেকে শাহজাহান চৌধুরীকে প্রার্থী দিতে চায় জামায়াত।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে জোটের হয়ে আন্দোলন সংগ্রামসহ নানান কর্মসূচীতে বিভিন্ন সময়ে জোরালো ভূমিকা রাখেন শাহজাহান চৌধুরী,

২০০৬ সালেও জোট সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় জোটের হয়ে চট্টগ্রাম মহানগরী জুঁড়ে শাহজাহান চৌধুরীর সাহসী ভূমিকার মাধ্যমে জোটের অগ্রভাগে নেতৃত্ব প্রদান করেন,

জোট সরকারের বিরোধী দল হিসেবেও দায়িত্ব পালন কালে শাহজাহান চৌধুরী জোটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তাই জোট নেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকেই চট্টগ্রাম – ১০ আসনে শাহজাহান চৌধুরীকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করার ইঙ্গিত ছিলো,

সেই সুবাধে চট্টগ্রাম মহানগরীতে জোটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনসহ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে আগাম প্রচারণাও করে আসছিলেন।

সাতকানিয়ার গনমানুষের জনপ্রিয়তার বিবেচনায় যদি আনম শামসুল ইসলাম ও শাহজাহান চৌধুরীর মধ্যে তুলনা করা হয়,তাতে শাহজাহান চৌধুরীই অনন্য,

তাই কেন্দ্রীয় প্রার্থী হিসেবে শাহজাহান চৌধুরী বারবার নমিনেশন পেয়েছেন এবং বিজয়ী হয়ে আসছেন,৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে সাতকানিয়া থেকে বিজয়ী হয়ে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন শাহজাহান চৌধুরী,

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রচারিক কাজে ও দায়িত্ব পালনে সাতকানিয়ার গনমানুষের প্রাণের মানুষ শাহজাহান চৌধুরী, প্রায় প্রতিটি গ্রামে গ্রামে তিনি জামায়াতের দূর্গ গড়ে তুলেন, কারো কোন বিপদে দল মত নির্বিশেষে দায়িত্ব পালনে সকল রাজনৈতিক দলের কাছেও রয়েছে তার সম্মান।

শাহজাহান চৌধুরী এবং আনম শামসুল ইসলামের মাঝে পার্থক্য কাউকে হেয় করার জন্য করি নি,বরং কিছু জামায়াতের প্রতি সাধারণ মানুষের পছন্দের তালিকায় শাহজাহান চৌধুরীকে রেখে আনম শামসুল ইসলাম বিরোধী

ও শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে জোর প্রচারণার পরিপ্রেক্ষিতেই পার্থক্যটি তুলে ধরা, এই মতানৈক্যকে কাজে লাগিয়ে বিরোধী মতের মিডিয়ায় জামায়াতের ভিতরে অন্তর কোন্দলের নামে বিভিন্ন নিউজ প্রকাশিত হয়,

যা অন্তন্ত দুঃখজনক,অথচ জামায়াতের এই দুই প্রার্থীর মাঝে কখনো বিরোধ তো থাকা দূরের কথা,সব সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরী,নিজ এলাকায় কিংবা কেন্দ্রে দুইজনেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন,

জামায়াতের কোন নেতার পক্ষে অন্তর কোন্দল রেখে সংগঠন করা সম্ভব নয়,যেমন যারা এমন বিরোধ নিয়ে আপত্তিকর প্রচারণা করছেন,তারা কেউ সংগঠনের এক্টিভ কর্মী নন,সুতরাং এমন কুমনোভাব রেখে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব কি করে সম্ভব?

জামায়াতে ইসলামীর কোন প্রার্থীকেই ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই, জামায়াত যেহেতু শাহজাহান চৌধুরী দূদকের বানোয়াট মামলায় নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারায় আনম শামসুল ইসলামকে দিয়ে সাতকানিয়া আসনটি ধরে রাখতে পেরেছে,

সেহেতু সাতকানিয়ায় সংগঠনের ভিত্তি গড়ে দেয়া শাহজাহান চৌধুরীকে দিয়ে জামায়াত সাংগঠনিক প্রয়োজনে নতুন যে কোন একটি আসন রচনার সুযোগ তৈরি করতে চাইতেই পারে,

আর তা অবশ্যই ঝুঁকিমুক্ত এবং নিখুত বিজয় সম্ভাবনার মধ্য দিয়েই, কারণ শাহজাহান চৌধুরী যেমন সাতকানিয়া এলাকার গনমানুষের নেতা,ঠিক তেমনি চট্টগ্রাম মহানগরীসহ জোরালো নেতৃত্বের জন্য বৃহত্তর চট্টগ্রামেই রয়েছে তার খ্যতি ও পরিচিতি,তিনি সারাদেশ জুঁড়েই অনন্য।

তাই,কাউকে ছোট করে কোন নেতাকে বড় করা যায় না,আমরা সম্মান দিতে শিখি সাতকানিয়ার জমিনের গর্ব কৃতিত্তের স্বাক্ষর এই দুই নেতাকেই,

ইনশা আল্লাহ,আমাদের সকলের ভালোবাসাও আন্তরিকতা থাকলে এই দুই নেতাকেই আমরা জাতীয় সংসদে বিজয়ী প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাতে পারবো,তাই সংগঠনের স্বিদ্ধান্ত সংগঠনকেই নিতে দিন,

আর সংগঠন প্রার্থীতা প্রদানের বেলায় আগে স্থানীয় সংগঠন এই স্বিদ্ধান্তে জোরালো ভুমিকা রাখে ও পরে কেন্দ্র সেটিকেই সমর্থন দিয়ে থাকে।

আল্লাহ আমাদের সকলকেই রাসূল (সঃ) এর আদর্শ মোতাবেক প্রার্থীতা নির্বাচন,সমর্থন এবং যথাযথ দায়িত্ব পালনে আমাদের সকলকে কবুল করুক, আমীন।

এবার আ. লীগ নেতার ‘অশ্লীল বক্তৃতার’ ভিডিও ভাইরাল

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পোড়াহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরণের অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তৃতার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা খোন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ নামে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের টাইমলাইনে ভিডিও এবং সমাবেশের বেশ কয়েকটি ছবি গত সোমবার আপলোড করার পরপরই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির এমন আপত্তিকর কথাবার্তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। ৭ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে হিরণ যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন তা অনেকক্ষেত্রেই প্রকাশযোগ্য নয়। ভিডিওটিতে তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরণ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া বাজারের এক পথসভায় পদ্মাকর, দোগাছী ও হরিশংকরপুর ইউনিয়নসহ সদরের পূর্বাঞ্চলের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে বলেন,

বিএনপির নেতাকর্মীরা আগামী ৭ দিনের মধ্যে সারেন্ডার না করলে ‘চো**ন’ দিয়ে পুলিশে দেব। বিএনপি নেতাকর্মীদের পাছার চামড়া তুলে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে বিতাড়িত করা হবে। এই কাজে সাথে থাকবে পুলিশ প্রশাসন।

হিরণ বলেন, পুলিশ ভাইয়েরা শুনে নিন, পদ্মাকর ও হাটগোপালপুরে মিটিংয়ের পর বিএনপি সাটা হবে। আমাদের স্থানীয় নেতারা পুলিশকে যে নির্দেশ দিবে তা পালন করতে হবে। সেই নির্দেশ যদি আপনারা না শোনেন তবে ঝিনাইদহে আপনারা চাকরি করতে পারবেন না।

আমি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিস্কার ভাষায় বলে গেলাম।
এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, নির্বাচন সামনে তাই এই এলাকার কোন বিএনপি নেতাকর্মীরা বাজারে ঘোরাফেরা করতে পারবে না।

গোয়ালপাড়া বাজারে যারা বিএনপি করেন, তাদের ঘরে তালা মেরে দেওয়া হবে। তাই এখনো সুযোগ আছে সারেন্ডার করেন, নইলে আপনারা চোখ হারাবেন, পাছার রক্ত বের হবে ও ঠ্যাং ভেঙ্গে দেওয়া হবে।

আপনাদের নেত্রী জেলে। আপনারা যার (তারেক রহমান) কথায় বসে আছেন তাকেও এই মাসের মধ্যে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে। অতএব আপনারা ইউনিয়ন নেতাদের কাছে সারেন্ডার করেন।
তিনি বলেন, যে সব আওয়ামী লীগ নেতারা বিএনপিকে আশ্রয় দিচ্ছেন আপনারা বিএনপি ও জামায়াতের চর।

আপনাদেরও বিএনপি জামায়াতের মতো (অশ্লীল কথা প্রকাশযোগ্য নয়) চামড়া তুলে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ঝিনাইদহ সদরের পশ্চিমেও ঘোষণা দিয়েছি। আমরা জামায়াত বিএনপি মুক্ত করবো।

যে সব আওয়ামী লীগের নেতারা একজনের ছবি পোষ্টারে দিয়েছেন তাদেরও মধুপুর চৌরাস্তার মাড়ে ‘গু**র’ চামড়া তুলে নেওয়া হবে। আমি হিরণ মাঠে থাকবো। একেকটা ঘর থেকে বের করবো আর ‘গু**র’ চামড়া খুলে নেব। আমি মারবো। কোন পুলিশ যদি বিএনপির পক্ষে সাফাই গায় তবে সেই পুলিশের চাকরি থাকবে না।

Facebook Comments