ড.কামাল কে দালাল বললেন মাহী

বাংলাদেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে রাস্তায় নামার জন্য বিকল্প ধারার যুগ্ম মহাসচিব ও যুক্তফ্রন্ট নেতা মাহী বি চৌধুরীর আবেদন এড়িয়ে গেছেন গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেন।

ড. কামাল হোসেন মাঠে না নেমে বরং বুদ্ধির রাজনীতি নামে খাতা কলমের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। মাঠে নেমে ধুলা-কাদা না খেয়ে বরং সরকারকে বিদেশি চাপে রাখার পক্ষে মতামত দিয়েছেন ড. কামাল।

মাহী বি চৌধুরীর মত পুচকে রাজনীতিবিদের অযৌক্তিক আহ্বানে বিস্মিত হয়ে তাকে ভাড়াটে রাজনীতিক হিসেবে ঠাট্টা করেছেন ড. কামাল। তার মতে মাহী বি চৌধুরীর আচরণ ‌’বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়’ এর মত।

সূত্র বলছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের সাথে আঁতাত করার নামে সুবিধা আদায় করতে পিতা বদরুদ্দোজা চৌধুরীর প্ল্যানে মাঠে নেমেছেন মাহী বি চৌধুরী।

নির্বাচনের ঠিক আগে আগে বিদেশি প্রভুদের অর্থায়নে রাজনীতির হিসাব গরমিল করতে তৎপরতা চালান চৌধুরী ও ড. কামাল গংরা। মাঠের রাজনীতিতে শুন্য জনপ্রিয়তার এই নেতারা তাই বুদ্ধির রাজনীতির নামে ষড়যন্ত্র করতে পারঙ্গম বেশি।

মাহী বি চৌধুরী এবার একটু ব্যাতিক্রম চিন্তা করে ড. কামালকে রাস্তায় নেমে সরকারের সমালোচনা করার আহ্বান জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন ড. কামাল। ছোট মুখে বড় কথায় বেশ অপমানিত বোধ করেন ড. কামাল।

অন্যের টাকায় আর অন্যের ভরসায় রাজনীতি করতে গিয়ে বাপ-বেটা দৌড়ানি খেয়েও সোজা না হওয়ায় ঠাট্টা করেন ড. কামাল। মাহী বি চৌধুরীর এমন আহ্বান দুপায়ে ঠেলে ৩ আগস্ট বিকালে টেলিফোন করে মাহী বি চৌধুরীকে ঝাড়ি দেন কামাল।

ড. কামালের চেম্বার সূত্রে জানা যায়, মাহী বি চৌধুরীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অপমান করেন তিনি। বয়সের আগে পেঁকে যাওয়া পঁচা ফলের সাথে মাহী বি চৌধুরীকে তুলনা করে রাজনীতির পাঠ পড়ান ড. কামাল।

ড. কামালের মতে তার মত বনেদি ও জ্ঞানী মানুষকে মাঠের রাজনীতি করতে হয় না। তিনি মাঠের বদলে কলমের রাজনীতি মানে বুদ্ধির রাজনীতি করেন। রাজনীতিবিদরা তার কাছে এসে পরামর্শ করে।

তিনি কোথাও কারো কাছে গিয়ে নালিশ করেন না। তার মত রাজনৈতিক জ্ঞান কারো নাই। বঙ্গবন্ধুর পর কোন নেতাকে তার মনে না ধরায় তিনি কারো সাথে রাজনীতি করেন না। মাহী বি চৌধুরীকে হুশ করে কথা বলার হুমকি দেন ড. কামাল।

বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় হলে তার পরিণতি খারাপ হয় বলেও মাহী বি চৌধুরীকে সতর্ক করেন তিনি। উত্তরে ড. কামালকে দুধের মাছি এবং বিদেশি প্রভুদের দালাল বলেও গালি দেন মাহী বি চৌধুরী।

আন্দোলনের নামে হুংকার দিয়ে বিপদ দেখলে বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার জন্য তার সমালোচনা করেন মাহী। শেষ বয়সে না পালিয়ে আন্দোলনের মাঠে নেমে মার খাওয়ার জন্য পিঠ প্রস্তুত রাখার আহ্বান জানালে রাগান্বিত হয়ে ফোন রেখে দেন ড. কামাল।

Facebook Comments